🥃 ঘানি ভাঙানো দেশি মাঘী সরিষার তেল
🌿🌿 কেনো খাবেন সরিষার তেল----
✅✅ সময়টা খুব বেশি দিন আগের না। ৩০-৪০ বছর পিছনে ফিরে যেতে হবে। অনেকে ইতিমধ্যেই শৈশবে ফিরে গেছেন। তখন আমাদের মায়েরা রান্নায় শুধুমাত্র সরিষার তেল ব্যবহার করতেন। বোতলের মুখে আঙ্গুল চেপে তরকারিতে তেল ঢালতেন। যেন বেশি পড়ে না যায়। ছোট পরিবারে প্রতি সাপ্তাহিক হাটে ছোট্ট ১ বোতল তেল আনা হতো। রান্নার কাজেই শুধু নয় ত্বকেও নিয়মিত মাখতেন। তাছাড়া মাথা গরম হয়ে গেলে সরিষার তেলে পানি মিক্সড করে সাদা ফেনা করে দেয়া হতো। মাথা ঠান্ডা হয়ে যেত।
🌿 তখন সয়াবিন তেল হালে পানিই পেত না। মানুষ ছিল তখন সুস্থ, কর্মঠ আর শক্তিশালী। কারন সরিষার তেলে আছে আন স্যাচুরেটেড ফ্যাট। ফ্যাট শব্দ শুনলেই আমরা আঁতকে উঠি। খুব ক্ষতিকর মনে করি। আসলে সব ফ্যাট ক্ষতিকারক নয়। সরিষার তেলের ৯০ ভাগই উপকারী আন স্যাচুরেটেড ফ্যাট। সাথে আছে লিনোলিক এসিড। আগের দিনে হৃদরোগের কথা শুনেছেন❓শোনেন নি কারন সরিষার তেলের লিনোলিক এসিড হৃদরোগের ঝুঁকি কমায়। তখন ছেলে বুড়ো সবাই চুলেও সরিষার তেল দিতো। তাই অল্প বয়সে চুল পাকতো না। চুল থাকতো উজ্জ্বল। তাছাড়া সর্দি কাশিতে সরিষার তেল টনিক হিসাবে কাজ করতো। আরো কত কী যে উপকার তা লিখে শেষ করা যাবে না।
😢 কিন্তু আফসোস দিনে দিনে সরিষার তেল থেকে আমরা সয়াবিন তেলে ঝুঁকে পড়েছি। বিভিন্ন বিদেশি বা আমদানি নির্ভর কোম্পানির অব্যাহত প্রচারনায় আপনকে করেছি পর। নিজেদের উৎপাদিত তেলকে দু পায়ে মাড়িয়ে বিদেশি সয়াবিনকে আঁকড়ে ধরেছি। ফলাফল? সয়াবিন তেল কোলেস্টেরলের মাত্রা বাড়িয়ে লিভার সিরোসিস, হাই প্রেশার, এমনকি ক্যান্সারও তৈরি করছে।
তাহলে উপায়❓ উপায় একটাই বাবা দাদাদের ঐতিহ্য সরিষার তেলে ফিরে যাওয়া। তবে তা হতে হবে খাঁটি। দেশীয় স্বাদ দিচ্ছে ১০০% খাঁটি সরিষার তেলের গ্যারান্টি। কোল্ড প্রেস বা তেঁতুল কাঠের ঘানিতে তেল করি। যার ফলে তেলের গুণাগুণ থাকে অক্ষুন্ন। বড় কথা সবচেয়ে উন্নত দেশি মাঘী সরিষা দিয়ে তেল করি। মাঘী সরিষার নামে অন্য সরিষা মিক্সড করি না। তাই তেলের কালার হয় কালচে লাল। তীব্র ঝাঁজ পাবেন না। কিন্তু মিষ্টি সুঘ্রাণ পাবেন। ঠিক কাসুন্দির মতো।
অর্ডার করতে
01942457466
01404226333
01942457466 (WhatsApp)
অথবা পেজের ইনবক্সে।